Picdeer logo Browse Instagram content with Picdeer

@re_z_wan

re z wan

re_z_wan

রোববারের কমিউনিস্ট!! ⚓👮life of a sailor🚢⚓ Sunday Filmmakers

  • 2K Total Likes
  • 189 Tot. Comments
আমার বন্ধু গুলো এ বছর ফাইনাল দিয়ে বের হচ্ছে ইউনিভার্সিটি থেকে। তারা যখন বিশ্ববিদ্যালয় এর দ্বিতীয়  বর্ষে আমি তখন পড়ালেখার পাঠ চুকিয়ে চাকরী খোঁজায় ব্যাস্ত। প্রতিদিন সকাল এগারোটায় চট্টগ্রামের এইচ.আর এর অফিসে ফোন করা আমার ডেইলি রুটিন ছিলো তখন। এক দিন, দুই দিন, এক মাস, দু মাস, এভাবে দীর্ঘ চোদ্দ মাস পর আমি একদিন বিকেলে একজন স্বাধীন মানুষের মত কানে হেড ফোন লাগিয়ে অঞ্জন দত্তকে শুনি, "চাকরিটা আমি পেয়ে গেছি বেলা শুনছো।" যে সময়টাতে আমার ট্যুরে যাওয়ার কথা ছিলো, ইউনিভার্সসিটির ক্যাম্পাসে দিন রাত পরে থাকার কথা ছিলো আমি সে সময়টাতে প্রতিদিন সকালে পাঁচ কিলোমিটার করে দৌড়াতাম, প্রচন্ড রোদে প্যারেড গ্রাউন্ডে ঝলসে যেতাম, প্রচন্ড হোমসিকনেস নিয়ে ক্যাডেটব্লকে ঘুমাতাম। জীবন নিয়ে আমার কখনো রিগ্রেট ছিলোনা এখনো নেই। রুমমেট গালীব একবার বলেছিলো লাইফে রং ডিসিশন বলতে কিছু নাই।
রওনাগল, পুরান বাজার, চাঁদপুর।।
রওনাগল, পুরান বাজার, চাঁদপুর।।
রওনাগল, পুরান বাজার, চাঁদপুর।।
পৃথিবীর সবচেয়ে দীর্ঘতম কবিতার নাম "নারী"।
চট্টগ্রাম শহরে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সৈনিকদের গনকবরে প্রতি শনি বার মেয়েটিকে দেখা যায়। কেউ একজন কারন জিজ্ঞেস করায় মেয়েটি উত্তরে বলে দেয়, "কোন এক সৈনিকের বুক পকেটে একটা চিঠি ছিলো যেটা কেউ কখনো ডাকে পাঠায়নি। আমি চিঠিটা খুঁজি প্রতিদিন।" বীনা অনুমতিতে ছবি তোলায় মেয়েটি রাগ করেনি সেদিন। . . ওয়ার সিমেট্রি।। চট্টগ্রাম।। ২০১৮
আর মাত্র কয়েকটা ঠোঁট, এরপরই আমি আর তুমি, সাদা কাফনে বন্দী, মুখোমুখি বসে সবটা পরকালে।
আমার কাছে অনেক গুলো কারন ছিলো সুইসাইড করার। এবং সত্যি সত্যি কৈশরে আমি সুইসাইড করে ফেললে স্রষ্টা আমাকে জান্নাত দিয়ে দিতেন। একমাত্র ব্যাতিক্রম কেইস হিসেবে। আমি সুইসাইড করিনি সেদিন, তার পর দিন, তারও অনেক পরে আরো একদিন। আমি সুইসাইড করিনি। সুইসাইড করার সাহস আমার নেই এবং ছিলোনা কোন দিন। আমার বন্ধু নুসরাতের বড় বোন সুইসাইড করার জন্যে হারপিক খেয়ে ছিলো একবার। কারন, এস.এস.সি তে তিনি বোর্ড স্ট্যান্ড করেন নাই। আমার খুব হাসি পেয়েছিলো শুনে। আরো হাসি পেয়েছিলো যখন শুনলাম তিনি মারা যান নাই। মানুষ কেন সুইসাইড করে এ প্রশ্নটা সম্পূর্ণ আপেক্ষিক। আমি যখন দৃঢ় কনফিডেন্স নিয়ে বলছি সুইসাইড যদি আমি সত্যি করতাম স্রষ্টা আমাকে কখনোই জাহান্নামে পাঠাতেন না অন্য দিকে নুসরাতের বোন বলছে তার সুইসাইড এটেমপ্ট এর কারন সে এস.এস.সি তে কাঙ্খিত রেজাল্ট পায় নাই। মানুষ সুইসাইড করছে কেন এ
আন্দামানে নাফিস স্যারের জাহাজ যখন ডুবে যায় নাফিস স্যার একা একটা লাইফ জ্যাকেটের সাপোর্টে তিন দিন পানিতে ভেসে ছিলেন। তিন দিন এক ফোটা খাবার পানি কিংবা এক টুকরো খাবার ছাড়া তিনি ভেসে ছিলেন একা একটা সাগরে। কিন্তু এই তিন দিনের একটা ওয়াক্ত নামাজও তিনি কাজা করেননি। উপরন্তু রাতের বেলা তাহাজ্জুতের নামাজও পরেছেন সাগরে ভেসে ভেসে। হাইপোথার্মিয়ায় যখন তার স্নায়ুতন্ত্র প্রায় বিকল অবস্থা ঠিক তখনই থাইল্যান্ড এর কোস্টগার্ডের একটা জাহাজ তাকে রেস্কিউ করতে আসে। থাই কোস্টগার্ড তাকে জাহাজে তুলে নিয়ে যখন একটা ক্যান বা বোতল তার সামনে দেয় তিনি প্রায় মুমূর্ষু অবস্থায় থাই কোস্টগার্ড টিমকে বলেন, "Hold, I'm a muslim and if u r giving me beer then I can't take it." নাফিস স্যার এখন আর জাহাজ নিয়ে সাগরে যান না। . . আজগর নামের আমার এক জুনিয়র তার প্রথম ভয়েজে জাহাজ নিয়ে আর্জেন্টিনা যায়। সেইলর হওয়ার সুবিধা হচ্ছে আপনি কোন
যে মানুষটাকে আমি বাবা বলে ডাকি সে মানুষটাও আমাকে বাবা বলে ডাকে। খুব কম সময় গেছে আমাকে সে রেজওয়ান বলে ডেকেছে। একটা সময় আমি যখন বুঝতে শিখলাম আমি বড় হচ্ছি তখনো বাবা আমাকে বাবা বলে ডাকতো-আমার বন্ধুদের সামনেও। আমার ভিশন সংকোচবোধ হতো তখন। ধীরে ধীরে আমি বুঝতে পারি আমাকে তার এই বাবা ডাকাটা একটা অভ্যেস যেটা দিনের পর দিন জমতে থাকা ভালোবাসা থেকে জন্ম নেয়। একটা সময় মানুষের ভালোবাসাটা অভ্যেসে পরিণত হয়। বাবা ডায়েরী লিখে নিয়মিত। বাবা যখন অফিসে থাকে আমি প্রায়ই বাবার ডায়েরি পড়ি। আমার বাবার ডায়েরিটা একটা উপন্যাসের মত যার কেন্দ্রিয় চরিত্র রেজওয়ান। আমার প্রথম স্কুলে যাওয়া, প্রথম রাগ করা, প্রথম পরীক্ষার রেজাল্ট, আমার প্রথম দাদু বাড়িতে যাওয়া, আমি কবে কখন কোন দেশে যাচ্ছি সব টুকে রাখে বাবা। আমার ব্যাগে কিছু জিনিস সব সময় থাকে এর মধ্যে একটা জিনিস হচ্ছে কালার পেন। কালার পেনে
গোল্ডলিফে অভ্যস্ত অরিত্র একদিন মার্লবোরো এডভান্স দেখলো দ্বীপার হাতে। সেই থেকে কৌতূহলের শুরু। কথায় কথায় একদিন অরিত্র মার্লবোরো এডভান্স কিনে আনলো। নতুন সিগারেট-ভিন্ন স্বাদ-অন্য এক শহরে। মুঠোফোনে তখন অরিত্র, "এডভান্সের ফিল্টারটা ভালো"। এরকম অনেক কথায় দ্বীপা আর অরিত্রের মধ্যবর্তী দূরত্ব কমতে থাকে। অরিত্র একদিন বুঝতে পারে সে ভূল পথে এগোচ্ছে। অরিত্রের বদ অভ্যেস হচ্ছে প্রেমে পড়া। সেই ছোট বেলায় স্বাগতা একবার অরিত্রকে ইরেজার দিয়ে বলেছিলো, "আমার কাছে অনেক গুলো আছে। তুমিতো প্রতিদিন ভূলে যাও, এটা রেখে দাও।" ক্লাসরুমের সেই কথোপকথনের পর থেকে অরিত্র স্বাগতার প্রেমে পড়ে যায়। একটা সময় অরিত্র নিজেকে গুটিয়ে ফেলে। স্বাগতা কিছু বুঝতে পারেনা। অরিত্র এভাবে অনেকের প্রেমে পড়ে সময়ে অসময়ে। নিজেকে গুটিয়ে ফেলা অরিত্রের বদ অভ্যেস। দ্বীপার হাতের সিগারেট দেখে অরিত্রের
We work hard, party harder, not mamma's boy anymore. People call us Merchant Marine we call it life.
আমার জীবনের প্রথম কবিতা সেই ক্লাস ইলাভ্যানে লেখা। একদিন রাতে বাসার সবাই যখন ঘুমিয়ে, বৃষ্টি হবার আগে একটা ঝড়ো বাতাসে আমার টেবিলের বই খাতা যখন ওলট পালট হয়ে গেলো তখনই লিখে ফেললাম- . মাঝে মাঝে খোলা জানালার পাশে রাখা পেপার গুলোকে উড়িয়ে নিয়ে যাবার চেষ্টায় ব্যার্থ হওয়া বাতাস গুলো চুলে দোলা দিয়ে যাচ্ছে। মাঝ রাতে সঙ্গী হিসেবে পেলাম এক কাপ চা আর এ বাতাস, সাথে আছে কিছু অসমাপ্ত গনিত, যার ফলাফল মেলানোর চেষ্টা কেড়ে নিয়েছে চোখের ঘুম, নিস্তেজতার তন্দ্রা। নিস্তব্দ পৃথিবীর নিশাচর প্রানী গুলোর কে কি করছে জানিনা, শুধু জানি আমি কিংবা তুমি বসে আছি কিংবা আছো ইনবক্সে ওয়ান নিউ ম্যাসেজ এর অপেক্ষায়। . একাডেমীর রাফ এন্ড টাফ ট্রেনিং এ কোর্সমেট দের হৃদপিন্ডের কার্ডিয়াক সেল গুলো যখন একেকটা প্রস্তর যুগের পাথরের মত হয়ে যাচ্ছিলো আমি তখনো কবিতা লিখতাম এরকম- . প্রচন্ড রোদের এক দুপুরে যদি
May be streets are the best places where I belong. It doesn't matter where I'm now. It does only matter how the people are walking, what they are talking about, why they are smiling, why they are crying, where they are going, what they are doing, what are the stories behind their eyes and why they are not being disturbed by me. I'm not sure about these facts except the last one. They are not being disturbed by me. Here I can take pictures of anyone, whoever I want. And that disturbe me all the time. In Bangladesh I need to ask permission to take a picture. I need to say, "hello sir, I want to frame you in my camera, do u have any problem with that?" I miss it. I can remember the time when I first took a portrait of a foreigner. We both were waiting for our flight in the airport. He was reading a book just like someone reads a book sitting in the heaven. I sat in front of him and took his portrait. He didn't give me a damn. He was just reading his book holding in one hand. That was the day I felt disturbed taking pictures of someone. Usually I show the pictures whom I took after taking one. But that day I was thinking about it. Should I knock him, "hello sir, I took ur portrait without your permission. Do you wanna see it?" But I didn't. May be it's a silly matter I'm talking about. May be these all are meaningless. But I do care about these silly matters. I do care about the people who are in my gallery. Hundreds of street people are in my list and I know their names-each and every one of them. You can count on it. I don't like to see the people in my gallery whose name I don't know. World is a massive thing and you will understand it after stepping outside from your place, from your era, from your time zone. I want to know the names of the people who are in my gallery. I want to know who they are, why we met, what were their stories. I want to know them all, as far as I can. I started it from Chaadpur and continuing it to all the streets of the world that bear my
জাপান থেকে অস্ট্রেলিয়া আসতে পনেরো দিনের ভয়েজ। এই পনেরো দিনের জন্য জাহাজে প্রায় ২ লাখ টাকার খাবার কেনা হয়। অস্ট্রেলিয়া আসার পথে যদি চীফ কুক হঠাৎ করেই একদিন বলে জাহাজের খাবার শেষের পথে তখন আপনি কাকে অভিযোগ করবেন? সৃষ্টিকর্তা কে নাকি জাহাজের ক্যাপ্টেন কে? অভিযোগ শব্দটার সাথে আমার অনেক আগেই বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। আমি কোন কিছুতেই আজকাল অভিযোগ করিনা। মফস্বলের কোন এক দার্শনিক অনেক রাতে বাসস্ট্যান্ডের চা এর দোকানে হঠাৎ করেই আমাকে বললো, জীবনের প্রতি যত কম অভিযোগ রাখা যায় জীবন ততই সুন্দর হয়। আমি তাই অভিযোগ করিনা আজকাল। মাসে তিন চারদিন নেটওয়ার্কে থাকি। কাকে অভিযোগ করবো? বাবাকে? ক্যাপ্টেন কে? নাকি সৃষ্টিকর্তাকে? এডমিশন টেস্টে সাফল্যের ঝুড়ি হাতে নিয়ে বাবাকে যখন বললাম, কোথায় ভর্তী হবো আমি? বাবার উত্তর তোমার লাইফ তুমি যেখানে ভালো মনে করো। বাবার সেই কথা মাঝরাতে আমার
আকাশের কোন এক নির্দিষ্ট বিন্দুতে আমরা সবাই কি এক হয়ে যাইনা? . . গ্ল্যাডস্টোন।। অস্ট্রেলিয়া।
তানযীর তুহিন কি জানেন আমি ওসাকায় অলস দুপুরে হাসিমুখ শুনেছি বহুবার? অনুপম রায় কি জানেন আমি যখন গভীর রাতে পার্টি শেষ করে জাপানের শ্যাণয়ান ব্রীজ দিয়ে হাটতে হাটতে জাহাজে ফিরি আমার হেড ফোনে অনুপম রায় বাজতে থাকে-"শহুরে সন্ধ্যায় বন্দরে রুমাল নেড়ে আমি জাহাজ তাড়াই....." আমি জানি শিলাজিৎ মজুমদার এটা কখনোই জানবেন না আমি যখন সলোমন দ্বীপপুঞ্জ দুপাশে রেখে জাহাজ নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছি তখন জাহাজের ফোর ক্যাসেলে বসে তার ফিসফিস এলবামের সব গুলো গান আমি একবারে শুনেছি। অঞ্জন দত্তের জানবার কথাই না আমি যখন প্রথম চাকরীর খবর পাই চট্টগ্রামে এইচ আর এর অফিস থেকে হোটেলে ফেরার সময় তখনো আমার হেডফোনে বাজছিলো-"চুপকরে কেন একি বেলাবোস তুমি কাঁদছো?" আজম খান কখনোই জানতে পারলেন না তার পাপড়ি গানটা আমি গাল্ফ অফ এডেনে বসে শুনি বহুবার। জেমস কি আদৌ জানবেন তার গাওয়া বাবা গানটা আমি প্রতিদিন ডিনার শেষ
Ywca তে যখন পড়তাম একজন মাসী ছিলো স্কুলের পিওন। উনি আমাকে প্রতিদিন বাসা থেকে স্কুলে নিয়ে যেতেন সকাল বেলা। আমি প্রতিদিন সকালে বাসার গেইটে দাঁড়িয়ে থাকতাম। উনি এসেই আমার হাত জোরে খপ করে ধরে হেটে হেটে স্কুলে নিয়ে যেতেন। পাঁচ মিনিটের পথ। একেবারে স্কুলের ক্লাসরুমে বসিয়ে দিয়ে তারপর হাত ছাড়তেন। এই কতটুকু সময়ে আমার হাতের কব্জিতে ওনার হাতের ছাপ পড়ে যেত। জানিনা কেন আমি এখনো সেই মাসীর হাত ধরা অনুভব করি। মনে হয় হো চী মীনের কোন এক পোর্টে মাসী হুট করে এসে অনেক জোরে আমার হাত ধরে আছেন। . . একদিন স্কুল থেকে ফেরার সময় আমার চোখে কিছু একটা ঢুকে পড়ে। তখন আমি অনেক ছোট। আমি একা রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে চোখে হাত বুলাচ্ছিলাম। হঠাৎ পরিপাটি কাপড় আর বাদামী সু পড়া একটা লোক এসে আমার চোয়াল ধরে মুখ উপরে তুললেন। চোখের যন্ত্রনায় আমি ওনার চেহারা দেখতে পারিনি সেদিন। তিনি তার পকেট থেকে একটা রুমাল

Loading